করোনা ভাইরাস তার সর্বনাশ ক্রমাগত চালিয়ে যাচ্ছে ভারতে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের সর্বশেষ রিপোর্ট অনুযায়ী একদিনে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়ালো ২২,০০০। মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ১৮,৫০০ জনেরও বেশি। তবে আশার আলো সুস্থ হয়ে ওঠার হার ও বাড়ছে ক্রমাগত। এই মুহূর্তে ৬০.৮০ শতাংশ আক্রান্ত মানুষ সেরে উঠেছেন ভারতে।
তামিলনাড়ু তে সংক্রমণ ছাড়ালো এক লক্ষ্য এর ও বেশি। ভয়াবহ আকার ধারণ করছে তামিলনাড়ুর রাজধানী চেন্নাইতে। দিল্লী , মুম্বাই কে টেক্কা দিয়ে এখন চেন্নাইতেও সংক্রমণের হার বিপদসীমার ওপরে। গত ২৪ ঘন্টায় কেবল চেন্নাইতে সংক্রমণের সংখ্যা ২০০০ এর বেশি।
- করোনা ভাইরাস তার সর্বনাশ ক্রমাগত চালিয়ে যাচ্ছে ভারতে
- প্রায় ২০০ জনের মৃত্যু মহারাষ্ট্রে
- দিল্লী , মুম্বাই কে টেক্কা দিয়ে এখন চেন্নাইতেও সংক্রমণের হার
- মোট সংক্রমণ ৮৮,০০০ দিল্লি তে।
- সুস্থ্য হয়ে ওঠার হার বেড়ে ওঠার পেছনে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিবর্তিত গাইডলাইন
প্রায় ২০০ জনের মৃত্যু মহারাষ্ট্রে
মহারাষ্ট্র এখনও সংক্রমণের সংখ্যার নিরীখে রাজ্য গুলির মধ্যে প্রথম। শুক্রবার ১৯৮ টি নতুন করে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। খবর পাওয়া গেছে যা মোট সংখ্যা ৮৭,৩৬০ জনকে নিয়েছে। রাজ্যের সংক্রমণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৯৩,০০০ এরও বেশি ।
দিল্লি তেও কমেনি এই ভাইরাস এর সংক্রমণ এর হার। মোট সংক্রমণ ৮৮,০০০ দিল্লি তে। প্রাণ হারিয়েছেন ২৭৪২ জন। সংক্রমণ এর সংখ্যা বৃদ্ধি সত্ত্বেও মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল বলেছেন এই সপ্তাহে পরিস্থিতি উন্নতি হয়েছে ।
দিল্লির সংক্রমণের সংখ্যা প্রত্যাশা মতো বাড়েনি: জানালেন কেজরিওয়াল
"ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়েছিল যে ৩০ শে জুনের মধ্যে দিল্লিতেসংক্রমণের সংখ্যা এক লাখ হবে যার মধ্যে ৬০,০০০ সক্রিয় রোগী হবে তবে আজ আমাদের কেবল মাত্র ২৬,০০০ রোগী। এটি স্বাস্থ্য কর্মী দের কঠোর পরিশ্রমের ফল," এই সপ্তাহের শুরুতে বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়াল।
পশ্চিমবঙ্গে ও বেড়ে চলেছে ক্রমাগত সংক্রমণ। গত ২৪ ঘন্টায় সংক্রমণের সংখ্যা ৭৪৩ জন। সুস্থ্য হয়েছেন ৫৯৫ জন। তবে সুস্থ্যতার নিরীখে এই মুহূর্তে পশ্চিমবঙ্গ অন্যান্য অনেক রাজ্যের থেকে এগিয়ে।
উল্লেখযোগ্যভাবে, ভারতের উচ্চ সুস্থ্য হয়ে ওঠার হার বেড়ে ওঠার পেছনে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিবর্তিত গাইডলাইন এর অবদান অনেকটা। আগে কোনো রোগীকে ১৭ দিন হাসপাতালে রাখা হতো নিৰীক্ষণ এর জন্য। বর্তমান গাইড লাইন অনুযায়ী ১০ দিন এর মধ্যে ছাড়া পেয়ে যায় অনেক রোগী যদি জ্বর কিংবা অন্য কোনও উপসর্গ না থাকে।
১৫ ই অগাস্টের মধ্যে কি আসছে করোনা ভাইরাস এর ভ্যাকসিন ? ICMR ইতিমধ্যে প্রশ্ন উঠেছে বিজ্ঞানী মহলেও। কারণ তাড়াহুড়ো করে ভ্যাকসিন বানালে হিতে বিপরীত হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায় অনেক বেশি। একইভাবে, একজন প্রশংসিত ভাইরোলজিস্ট, শহীদ জামিল আশঙ্কা করেছেন সাত তাড়াতাড়ি ভ্যাকসিন এর ঘোষণা করে ভারত বিশ্বজুড়ে একটি হাসির খোরাক হয়ে উঠতে পারে।


0 Comments: